সাধারণ তথ্যাদি

জেলা

বরিশাল
উপজেলা

মুলাদী
সীমানা

উত্তরে কালকিনি ওগোসাইরহাটউপজেলা, পূর্বে হিজলা ওমেহেনিগঞ্জ উপজেলা, দক্ষিণে সদর উপজেলা এবং পশ্চিমে বাবুগঞ্জ উপজেলা।
জেলা সদর হতে দূরত্ব

৩৫ কি:মি:
আয়তন

২৩৫. বর্গ কিলোমিটার
জনসংখ্যা

,৭৪,৭৭৫ জন (আদমশুমারী-২০১১ অনুযায়ী)

পুরুষ
৮২,৫৪৫ জন

মহিলা
৯২,২৩০ জন
লোক সংখ্যার ঘনত্ব

৭৫৮.২৪ (প্রতি বর্গ কিলোমিটারে)
মোট ভোটার সংখ্যা

,২৩,২৩৭ জন

পুরুষভোটার সংখ্যা
৬১,৩৬৭ জন

মহিলা ভোটার সংখ্যা
৬১,৮৭০ জন
বাৎসরিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার

.৩০%
মোট পরিবার(খানা)

৩৮৩৯৪ টি
নির্বাচনী এলাকা

বরিশাল৩-(মুলাদী-বাবুগঞ্জ)
গ্রাম

১১০টি
মৌজা

৯৮ টি
ইউনিয়ন

০৭ টি
পৌরসভা

০১ টি



এতিমখানা

১৭ টি
মসজিদ

৫৫০ টি
মন্দির

১৫ টি
নদ-নদী

৩টি (আড়িয়ালখা,জয়ন্তী,নয়ভাঙণী )
হাট-বাজার

৩২ টি
ব্যাংক শাখা

০৮ টি
পোস্ট অফিস/সাব পোঃ অফিস

২৪ টি
টেলিফোন এক্সচেঞ্জ

০১ টি







কৃষি সংক্রান্ত

মোট জমির পরিমাণ

৫৬,৯৩৪ একর
নীট ফসলী জমি

৩৭,৮০০ একর
মোট ফসলী জমি

৮১,৩১০ একর
এক ফসলী জমি

৬৫৮০ একর
দুই ফসলী জমি

২২৬২০ একর
তিন ফসলী জমি

৮৬০০ একর
গভীর নলকূপ

৬৮৩ টি
-গভীর নলকূপ

,৯২৩ টি
শক্তি চালিত পাম্প

২০৫ টি ( হিসাব-২০১৩)
ব্লক সংখ্যা

১৭ টি
বাৎসরিক খাদ্য চাহিদা

৩১,১০৫ মেঃ টন




শিক্ষা সংক্রান্ত

সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়

১৩২ টি
বে-সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়

০২ টি



জুনিয়র উচ্চ বিদ্যালয়

০৬ টি
উচ্চ বিদ্যালয়(সহশিক্ষা

২৯ টি
উচ্চ বিদ্যালয়(বালিকা)

টি
দাখিল মাদ্রাসা

১২ টি
আলিম মাদ্রাসা

৩টি
ফাজিল মাদ্রাসা

০৪ টি



কলেজ(সহপাঠ)

০৮ টি
কলেজ(বালিকা)

০১ টি
শিক্ষার হার

৫৬%

পুরুষ
৫৬.%

মহিলা
৫৫.%

স্বাস্থ্য সংক্রান্ত

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

০১ টি
উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র

১৬ টি
বেডের সংখ্যা

৫০ টি
ডাক্তারের মঞ্জুরীকৃত পদ সংখ্যা

৩৭ টি
কর্মরত ডাক্তারের সংখ্যা

ইউএইচসি ১৭, ইউনিয়ন পর্যায়ে ১৬, ইউএইচএফপিও ১টি মোট= ৩৪ টি
সিনিয়র নার্স সংখ্যা

১৫ জন। কর্মরত=১৩ জন
সহকারী নার্স সংখ্যা

০১ জন

ভূমি রাজস্ব সংক্রান্ত

মৌজা

৮৫ টি
ইউনিয়ন ভূমি অফিস

০৬ টি
পৌর ভূমি অফিস

০০ টি
মোট খাস জমি

২০০৬.৭৮ একর
কৃষি

২০০২.০৮ একর
অকৃষি

০৪.৭০ একর
বন্দোবস্তযোগ্য কৃষি

১৪.৭১ একর (কৃষি)
বাৎসরিক ভূমি উন্নয়ন কর(দাবী)

সাধারণ=৩৮,৬০,২৮০/-
সংস্থা = ,৮৮,০৪,৭৪৭/-
বাৎসরিক ভূমি উন্নয়ন কর(আদায়)

সাধারণ=২৭,৩১২/- জুলাই মাসে আদায়
সংস্থা = জুলাই মাসে আদায় নেই
হাট-বাজারের সংখ্যা

৩২ টি

যোগাযোগ সংক্রান্ত

পাকা রাস্তা

৫৩.০০ কিঃমিঃ
অর্ধ পাকা রাস্তা

৫৯.০০ কিঃমিঃ
কাঁচা রাস্তা

৫৭০ কিঃমিঃ
ব্রীজ/কালভার্টের সংখ্যা

৪৬৬ টি
নদীর সংখ্যা

০৩ টি

পরিবার পরিকল্পনা

স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র

১১ টি
পরিবার পরিকল্পনা ক্লিনিক

০১ টি
এম.সি.এইচ. ইউনিট

০১ টি
সক্ষম দম্পতির সংখ্যা

৮৪,৮৩৩ জন

মৎস্য সংক্রান্ত

পুকুরের সংখ্যা

,০৭৮ টি (৪১২ একর)
মৎস্য বীজ উৎপাদন খামার সরকারী

০১ টি
মৎস্য বীজ উৎপাদন খামার বে-সরকারী

০৬ টি
বাৎসরিক মৎস্য চাহিদা

,১৮০ মেঃ টন
বাৎসরিক মৎস্য উৎপাদন

,৫১৩ মেঃ টন

প্রাণি সম্পদ

উপজেলা পশু চিকিৎসা কেন্দ্র

০১ টি
পশু ডাক্তারের সংখ্যা

০২ জন
কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র

০১ টি
পয়েন্টের সংখ্যা

০৩ টি
উন্নত মুরগীর খামারের সংখ্যা

১১ টি
লেয়ার ৮০০ মুরগীর উর্ধ্বে· ১০-৪৯ টি মুরগী আছে, এরূপ খামার

অসংখ্য
গবাদির পশুর খামার

২২ টি
ব্রয়লার মুরগীর খামার

৯৬ টি

সমবায় সংক্রান্ত

কেন্দ্রিয় সমবায় সমিতি লিঃ

০১ টি
মুক্তিযোদ্ধা সমবায় সমিতি লিঃ

০২ টি
ইউনিয়ন বহুমুখী সমবায় সমিতি লিঃ

১৫ টি
বহুমুখী সমবায় সমিতি লিঃ

১০৯ টি
মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি লিঃ

৩৭ টি
যুব সমবায় সমিতি লিঃ

১১ টি
আশ্রয়ন/আবাসন বহুমুখী সমবায় সমিতি

০৫ টি
কৃষক সমবায় সমিতি লিঃ

১২০ টি
পুরুষ বিত্তহীন সমবায় সমিতি লিঃ

০৬ টি
মহিলা বিত্তহীন সমবায় সমিতি লিঃ

০৭ টি
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিঃ

০২ টি
অন্যান্য সমবায় সমিতি লিঃ

০৫ টি
চালক সমবায় সমিতি

টি
বি:দ্র: বিস্তারিত তথ্য সমূহ নিচে দেয়া হলো:

মুলাদী প্রতিনিধিঃ
মুলাদী পৌরসভা সহ উপজেলার সর্বত্র এক আতঙ্কের নাম হয়ে দাড়িয়েছে কুকুর! কুকুরের কামড়ে এ পর্যন্ত শতাধিক মানুষ আহত হয়েছে এবং জলাতঙ্কে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতাল ও স্থানীয় সুত্রে জানাগেছে, গত এক মাস থেকে মুলাদী পৌরসভা সহ উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় জলাঙ্কে আক্রান্ত পাগলা কুকুর দল বেধে পথচারী কিংবা স্কুল গামি শিক্ষার্থীদের উপর চড়াও হয়ে এ পর্যন্ত নারী-পুরুষ-শিশু সহ শতাধিক মানুষকে কামড়ে আহত করেছে। 

 গত ১৫দিন পুর্বে কুকুরের কামড়ে আক্রান্ত এক শিশু সঠিক চিকিৎসা না নেয়ায় জলাতঙ্ক রোগে মৃত্যু হয়েছে তার। গতকাল মঙ্গলবার সারা দিনে পৌর এলাকার পলাশ মল্লিক সহ ১৯জন ব্যক্তি কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে মুলাদী স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছে। কুকুরের এধরনের অস্বাভাবিক আক্রমনে মানুষের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। কখন কে কুকুরের কামড়ে আক্রান্ত হয় সে ভয় নিয়ে প্রতিনিয়ত চলাফেরা করতে হচ্ছে। মুলাদীতে সর্বত্রই কুকুর আতঙ্কের বিষয়টি সম্পর্কে মুলাদী পৌরসভার মেয়র শফিক-উজ্জামান রুবেলের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, কুকুর প্রানী সম্পদের আওতাভুক্ত হওয়ায় পরিবেশের ভারসম্যের জন্য একে নিধনের বিষয়ে হাই কোর্টের বিধি নিষেধ থাকায় আমরা কোন ব্যবস্থা নিতে পারছিনা। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, সিভিল সার্জন ও জেলা প্রশাসকের সাথে আলাপ করে কুকুর নিধনের বিষয়ে ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে। তবে হতাশার কথা জানিয়ে সচেতন মহল বলছেন, মানুষের জন্যই পরিবেশ, তাই মানুষের সুবিধার কথা চিন্তা করে প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা পাগলা কুকুর নিধনে দ্রুত ব্যবস্থা নেবে এমনটিই প্রত্যাশা সকলের।

মেয়ের হত্যার বিচার পাওয়ার আশা নিয়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন হতদরিদ্র পিতা-মাতা। বরিশালের মুলাদী উপজেলার পাতারচর গ্রামের সোহরাব ভুইয়া ও তার স্ত্রী কহিনুর বেগম মেয়ে হত্যার বিচার পাওয়ার আশায় থানা পুলিশ, স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিসহ বিভিন্ন জনের কাছে ধর্ণা দিচ্ছেন। প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে পুলিশ কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় মেয়ে হারানো পিতা-মাতা আইনি সহায়তা পাওয়ার আশায় বিভিন্ন জনের কাছে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।

কহিনুর বেগম জানান, প্রায় ৫ বছর আগে তাদের বড় মেয়ে সাবিনা আক্তারের সাথে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম রতনপুর গ্রামের মানিক হাওলাদারের ছেলে রিয়াজ হোসেনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই রিয়াজ ও তার পরিবার যৌতুকের জন্য সাবিনাকে প্রথমে চাপ প্রয়োগ করে পরবর্তীতের নির্যাতন চালায়।
মেয়ের ওপর নির্যাতন বন্ধে হতদরিদ্র পিতা-মাতা বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে যৌতুকের টাকা দেয়। কিছুদিন পরে যৌতুক লোভী রিয়াজ হাওলাদার ও তার পরিবার সাবিনা আক্তারকে যৌতুকের জন্য পুনঃরায় মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। ওই ঘটনায় কহিনুর বেগম তার মেয়েকে নিয়ে মুলাদী উপজেলা ব্রাক অফিসের আইনি সহায়তা কেন্দ্রে অভিযোগ দায়ের করলে রিয়াজের চাচা ভাসানচর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য বাদশা হাওলাদার তাদের ভুল স্বীকার করে সাবিনাকে শ্বশুর বাড়িতে ফিরিয়ে নেয়।
সাবিনাকে ফিরিয়ে নেওয়ার ৮/১০দিন পরে ১৩/১১/২০১৮ তারিখে রিয়াজ হাওলাদারকে পাশ্ববর্তী প্রবাসী কাওসার হাওলাদারের স্ত্রী তানজিলার সাথে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পেয়ে সাবিনা প্রতিবাদ করলে তাদের মধ্যে কথার কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে রিয়াজ হাওলাদার ক্ষিপ্ত হয়ে সাবিনার তলপেটে লাথি দিলে অন্তঃসত্ত্বা সাবিনা মাটিতে পড়ে যায়। নিজেদের রক্ষা করতে রিয়াজ তাৎক্ষণিক সাবিনার মুখে বিষ ঢেলে দিয়ে আত্মহত্যার নাটক সাজায়। সংবাদ পেয়ে কাজিরহাট থানা পুলিশ সাবিনার লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করে এবং একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করে।
ওই ঘটনায় সাবিনার পিতা সোহরাব ভুইয়া বাদী হয়ে রিয়াজ হাওলাদারসহ ৫জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করতে গেলে কাজিরহাট থানা পুলিশ মামলা গ্রহণ না করে একটি সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেয় এবং ময়নাতদন্তের পরবর্তীতে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানায়। ঘটনার পর পুলিশ রিয়াজ হাওলাদার ও তার পরিবারের লোকজনের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের উৎকোচ গ্রহণ করে হত্যার ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে মরিয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ রয়েছে।
ময়নাতদন্তের রিপোর্টের বিষয়ে জানতে গেলে পুলিশ সোহরাব ভুঁইয়া ও কহিনুর বেগমের সাথে রূঢ় আচরণ করে বলে জানিয়েছেন তারা।
এ ব্যাপারে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কাজিরহাট থানার এসআই সুকান্ত বাবু জানান, ময়নাতদন্ত রিপোর্টে আত্মহত্যার বিষয়টি সামনে আসলে সাবিনা আক্তারের স্বামী রিয়াজ হাওলাদারের বিরুদ্ধে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগ গঠন করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

 নীচে মেয়ের মায়ের সাক্ষাৎকারের ভিডিও  সংযুক্ত দেয়া হল


MARI themes

Powered by Blogger.