করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে চলমান ছুটি আরও সাতদিন বাড়ানো হয়েছে। আগামী থেকে এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। তবে সরকারের আগের ঘোষণার সঙ্গে দেশের পোশাক কারখানাগুলো ছুটি দেয়া হলেও এবার সেই ছুটি বাড়ানোর কোনো ঘোষণা আসেনি। তাই এপ্রিল (রোববার) থেকে কারখানাগুলো খুলবে। তবে মহামারির সংকটকালে যদি কোনো পোশাক শ্রমিক কারখানায় আসতে না পারেন, তাহলে তার চাকরি যাবে না।শনিবার ( এপ্রিল) জাগো নিউজকে কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি . রুবানা হক। পোশাক কারখানাগুলোর ছুটি শেষ হওয়ার আগের দিন দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ঢাকামুখী শ্রমিকদের ঢল নেমেছে।জানতে চাইলে রুবানা হক বলেন, যাদের কাজ আছে তারা কারখানা চালাবে। তবে শ্রমিকদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করে চালাতে হবে। সরকারের পক্ষ থেকে ২৫ মার্চ গণপরিবহন বন্ধ করা হয়েছিল, আর আমরা গার্মেন্টস বন্ধ করেছিলাম ২৬ মার্চ। আমাদের বেশিরভাগ শ্রমিক কারখানার আশপাশেই থাকেন। এর পর যদি তারা বাড়িতে চলে যান তার দায়িত্ব কে নেবে?দেশে করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে মানুষকে ঘরে থাকার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং হোম কোয়ারেন্টাইনে বাধ্য করতে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তায় মাঠে রয়েছে সশস্ত্র বাহিনী। সারাদেশে কার্যত স্বেচ্ছায় ঘরবন্দি সবাই। বন্ধ রয়েছে গণপরিবহন। অবস্থায় চাকরি বাঁচাতে পায়ে হেঁটে ঢাকার পথে রওনা হয়েছেন হাজারো পোশাক শ্রমিক। বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয়া হবে কি-না জানতে চাইলে বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, বিষয়টি আমরা দেখছি। তবে এরা সবাই যে পোশককর্মী তা নয়। আর এখন বর্তমান পরিস্থিতি সবার বুঝতে হবে। তবে এতটুকু বলতে পারি যারা বাড়ি থেকে আসতে পারবে না, তাদের চাকরি যাবে না।করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে চলমান ছুটি আরও সাতদিন বাড়ানো হলেও এপ্রিল থেকে কারখানা খোলা রাখা যাবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ) সভাপতি কে এম সেলিম ওসমান। তবে এক্ষেত্রে অবশ্যই শ্রমিকদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। বিকেএমইএ সভাপতি বলেন, যেসব কারখানা বন্ধ রাখবে তারা শ্রমিকদের পাওনা নিয়ম অনুসারে পরিশোধ করবে।এক বিশেষ নির্দেশনায় বিকেএমইএ পক্ষ থেকে বলা হয়, এপ্রিলের পর থেকে কারখানা চালু রাখবেন কি-না বন্ধ রাখবেন এটি আপনার সিদ্ধান্ত। যদি কেউ কারখানা চালু রাখেন তাহলে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে শ্রমিকদের সুরক্ষায় ব্যবস্থা নেবেন। স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিধি মেনে কারখানা পরিচালনা করবেন।৪ এপ্রিলে পর্যন্ত বিকেএমইএ পক্ষ থেকে কারখানা বন্ধ রাখার যে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছিল, তা আর এপ্রিলের পর থেকে থাকছে না। তবে কারখানা চালু কিংবা বন্ধ রাখার বিষয়টি বিকেএমইএকে জানাতে হবে।বিকেএমইএ সভাপতি বলেন, কারখানা খোলা বা বন্ধ যে সিদ্ধান্তই গ্রহণ করুন না কেন, শ্রমিকদের মার্চ মাসের বেতন অবশ্যই সময়মত দিতে হবে। কোনো অবস্থাতেই বেতন দিতে দেরি করা যাবে না। শ্রমিক অসন্তোষ যেন সৃষ্টি না হয় সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।জানা গেছে, রোববার থেকে দেশের তৈরি পোশাক কারখানাগুলো চালু রাখার পক্ষে মালিকরা তবে এখন পর্যন্ত তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ পক্ষ থেকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।


ইউরোপ যেন মৃত্যু উপত্যকায় পরিণত হয়েছে। ইতালি স্পেনের পর এবার যুক্তরাজ্যে অসংখ্য মানুষের মৃত্যুর খবর আসছে স্বাস্থ্য সেবায় বিশেষ খ্যাতি থাকা এই দেশটি থেকে। গত ২৪ ঘণ্টায় যুক্তরাজ্যে নতুন করে আরও ৭০৮ জন করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, করোনার প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর যুক্তরাজ্যে এর আগে একদিনে এত মানুষের প্রাণহানি ঘটেনি। শনিবার দেশটির স্বাস্থ্য ও সামজিক সেবা মন্ত্রণালয়ের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, দেশটিতে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা এখন ৪ হাজার ৩১৩ জন।তবে ব্রিটিশ স্বাস্থ্য ও সামজিক সেবা মন্ত্রণালয় বলছে, আজ যে পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়েছে তা গতকাল অর্থাৎ ৩ এপ্রিল স্থানীয় সম বিকেলে ৫টা পর্যন্ত রাখা হিসাব। গতকালের সেই হিসাব একদিন পর আজ প্রকাশ করা হয়েছে। এরপর আরও অনেকের মৃত্যু হয়েছে।দেশটিতে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা এখন ৪১ হাজার ৯০৩ জন। গত একদিনে নতুন করে আরও ৩ হাজার ৭৩৫ জনের দেহে প্রাণঘাতী এই ভাইরাসটির উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে ১৬৩ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।দেশটির প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী ম্যাট হ্যানকক একইদিনে করোনায় আক্রান্ত হন। তারা এখন আইসোলেশনে রয়েছেন। এছাড়া ব্রিটিশ রাজপরিবারের উত্তরাধিকার প্রিন্স চার্লসও করোনায় আক্রান্ত। এদিকে রানি এলিজাবেথ কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন।


করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে নিজ নিজ বাসস্থানে দোয়া ও নামাজ আদায় করার আহ্বান জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। শনিবার (০৪) ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আনিস মাহমুদের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে সারাদেশের মুসল্লিদের এ আহ্বান জানানো হয়।এতে বলা হয়, দেশে করোনা ভাইরাসের বিস্তৃতি রোধকল্পে সরকার সব সরকারি-বেসরকারি অফিস ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। অত্যন্ত জরুরি প্রয়োজন ছাড়া জনসাধারণকে ঘরের বাইরে বের হতে নিষেধ করা হয়েছে। সব ধরনের সামাজিক/রাজনৈতিক/ধর্মীয় জনসমাগমে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। সবাইকে হোম কোয়ারেন্টিন পালন করতে কঠোরভাবে নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকেও মসজিদে জুমা ও পাঁচ ওয়াক্তের ফরজ নামাজে মুসল্লিদের অংশগ্রহণ সীমিত রাখার আহবান করা হয়েছে। অযু, নফল ও সুন্নত নামাজ বাসায় আদায় করার অনুরোধ করা হয়েছে।‘এই সংকটকালীন পরিস্থিতিতে দেশের নাগরিকদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তার স্বার্থে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত করোনা ভাইরাস সম্পর্কিত দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক ঘোষিত নির্দেশনা মান্য করে আগামী ৯ এপ্রিল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে নিজ নিজ বাসস্থানে বসে পবিত্র শবে বরাতের ইবাদত যথাযথ মর্যাদায় আদায় করার জন্য সকলকে বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।’

মুলাদী প্রতিনিধিঃ
    করোনা আতঙ্ককে পুজি করে মুলাদীতে এক শ্রেনীর অসাধু ব্যাবসায়ী দ্রব্যমুল্যের দাম দ্বীগুন করে বিক্রি শুরু করলে, মুলাদী পৌর সুপার মার্কেট ও এর আশে পাশের কয়েকটি দোকানে মোবাইল কোট পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহ অফিসার শুভ্রা দাস। তবে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের উপস্থিতি টের পেয়ে 
 
ব্যবসায়ীরা তাদের দোকান পাট বন্ধ করে গাঁ ঢাকা দেয়, দুই একটি দোকান খোলা পাওয়া গিয়াছে তারা অধিক মূল্যে পন্যে বিক্রয়ের কথা অস্বীকার করেন। এক দোকানদারের নিকট  পন্যের মূল্য তালিকা দেখতে চাওয়া হলে তিনি সেটি দেখাতে না পারায় ভোক্তাধীকার আইন দন্ডবিধি ৩৯ধারায় তাকে ৫০০/- টাকা জরিমানা করা হয়। এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ব্যবসায়ীদের উদ্দ্যেশ্যে বলেন, বাজার নির্ধারিত মুল্যের চেয়ে একটি টাকাও যদি কেই ক্রেতাদের কাছ থেকে বেশি নেয় তাকে অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে। মোবাইলকোর্ট পরিচালনা কালে উপস্থিত ছিলেন, মুলাদী থানার এস আই আলমগীর সহ একদল পুলিশ, অফিস সহকারী হাসান সহ সাংবাদিক বৃন্দ।



মুলাদী প্রতিনিধিঃ
নিষ্টুর নিয়তি, সমাজ ব্যবস্থার নৈতিক অবক্ষয় আর সভ্য সমাজের কতিপয় মস্তিস্ক বিকৃতির ফল হিসেবে পাগলিটাও মা হয়েছে, তবে বাবা হয়নি কেউ! মুলাদী পৌর এলাকার এক প্রাপ্ত থেকে অপর প্রান্তে ঘুরে বেড়ানো অর্ন্তস্বত্বা পাগলিটাকে মুমুর্ষ অবস্থায় কিছু সচেতন মানুষ গতকাল বুধবার সকাল .৩০ মিটিনে মুলাদী হাসপাতালে ভর্তি করেন। ঘন্টা খানেক পরে হাসপাতালের ডাক্তার সুমাইয়া ফারহান নার্স ইনচার্জ হামিদা বেগম, রেবা জান্নাত এর তত্বাবধানে  

পাগলিটার প্রসব বেদনা উঠলে তাকে দ্রুত প্রসব কক্ষে নিয়ে গেলে সেখানে পাগলিটা ফুটফুটে একটি কন্যা সন্তান এর জন্ম দেয়। বর্তমানে কন্যা শিশুটি নাস ইনচার্জ হামিদা বেগম এর তত্বাবধানে তার বাসায় রয়েছে, সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে মুলাদী উপজেলা চেয়ারম্যান, নির্বাহী অফিসার, মুলাদী থানার অফিসার ইনচার্জ সহ কৌতহলী মানুষ হাসপাতালে জড়ো হয়। মুলাদী উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সাইয়েদুর রহমান বলেন পাগলি কন্যা শিশু দু জনেই সুস্থ আছেন, তাদের সব ধরনের চিকিৎসা সহায়তার জন্য সর্ব ক্ষণ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রস্তুত আছে, এছাড়া বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় শিশু কেয়ার সেন্টার রয়েছে।


মুলাদী প্রতিনিধিঃ
    বাংলাদেশ পরিসংখ্যান বুরো কতর্ৃক বাস্তবায়নাধীন জনশুমারি ও গৃহায়ন ২০২১এর লিষ্টিং অপারেশন এবং মূল শুমারির গননা কার্যক্রমে তালিকাকারী/গননাকারী ও সুপারভাইজার পদে মুলাদীতে নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। মুলাদী উপজেলার ৭ইউনিয়ন ও পৌরসভায় ১৪০জন  গননাকারী ও সুপারভাইজার পদের বিপরীতে প্রায় ৭০০জন আবেদনকারী গত মঙ্গলবার উপজেলা পরিষদ হলরুমে অনুষ্ঠিত বাছাই পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে। পরীক্ষা শেষে গতকাল সকালে ফলাফল প্রকাশের পর অংশগ্রহনকারী পরীক্ষার্থীদের মাঝে মিস্ত্র প্রতিকৃয়া দেখা দেয়। তারা জানান, যাদেরকে উর্ত্তীর্ন করা হয়েছে তাদের মধ্যে বেশিরভাগ লোকই অন্য প্রতিষ্ঠান কিংবা বিভিন্ন প্রকল্পে চাকুরীরত রয়েছেন। এছাড়াও কতিপয় রাজনৈতিক নেতার হস্তক্ষেপে এধরনের অনিয়ম করা হয়েছে বাছাই পরীক্ষায়, বলে দাবী আবেদন কারীদের। তারা উক্ত বাছাই পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় স্বচ্ছ পরীক্ষার মাধ্যমে গননাকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগের জোর দাবী জানিয়েছেন।


মুলাদী প্রতিনিধিঃ
মুলাদী পৌরসভার পাতারচরে স্বাধীনতার অতন্ত্র প্রহরীদের স্বরণে নির্মিত বদ্ধভূমি অযতেœ-অবহেলায় পড়ে আছে, দেখার যেন কেউ নেই। ১৯৭১ সালের ২৪ জুলাই সকালের সুর্য পুর্ব দিকে উধিত হওয়ার পরপরই মুলাদীর পাতারচরে নির্মমতা ছড়িয়ে দিতে ঘর থেকে ধরে এনে নারী-পুরুষ, হিন্দু-মুসলিম-খ্রিষ্টান সহ ৩৩ জনকে গুলি করে নির্মম ভাবে হত্যা করে পাকহানাদার বাহিনী। স্বাধীনতার সেই সুর্য শহীদ সন্তানদের স্বরনে সরকারী অর্থায়নে মুলাদী পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের পাতারচর গ্রামে ২৯ লক্ষ ৫৬ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয় বদ্ধভূমি। ২৫মার্চ গনহত্যা দিবস সহ বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় দিবসে শহীদদের স্বরনে বদ্ধভূমিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হলেও বছরের বাকী দিনগুলো বদ্ধভুমিটি পড়ে থাকে অযতেœ আর অবহেলায়। বর্তমান সরকার স্বাধীনতা ও মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বোচ্চ সম্মাননা প্রদান করে রাষ্ট্রের গুরুত্বপুর্ন সম্মান প্রদর্শন সহ আর্থিকভাবে সহযোগীতা করার পরেও পাক বাহিনীর নির্মমতার স্বীকার নিহত শীহদের বদ্ধভুমিতে চোখ শেলেও তাকান না মুক্তিযোদ্ধা কিংবা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সহ সংস্লিষ্ঠরা। গত ৯ নভেম্বর প্রলয়ংকারী ঘুর্নিঝড় বুলবুলের তান্ডবে শহীদ এ বদ্ধভুমির উপর গাছ দীর্ঘদিন পরে থাকলেও অপসারনে কোন পক্ষই এগিয়ে আসছে না। এছাড়াও বছর বিশেষ দিবস ছাড়া দেখা-শোনা না করায় যত্র-তত্রভাবে গাছের পাতা ও ময়লা আবর্জনা পরে নষ্ট হচ্ছে শহীদদের এ পূর্নভুমি। সংস্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষ স্বাধীনতার সুর্য সন্তানদের এ স্থাপনাকে রক্ষার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেবেন এমনই প্রত্যাশা স্থানীয় সচেতন মহলের। এব্যাপারে স্থানীয় কাউন্সিলর এনামুল হক ইনু জানান, বদ্ধভুমিটি নির্মিত হওয়ার পরে এলজিইডি এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এটিকে আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন না করায় এবং কাউকে এর দায়ীত্বভার না দেয়ায় কেউই রক্ষনা বেক্ষনে এগিয়ে আসছেনা।


মুলাদী প্রতিনিধিঃ মুলাদীতে সহকারী শিক্ষিকা কর্তৃক সিনিয়র শিক্ষিকার উপর বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে ও অভিযুক্ত শিক্ষিকার দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন করেছে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকা বৃন্দ। আজ মঙ্গলবার বিকাল ৪.৩০মিনিটে উপজেলার কাজিরচর ইউনিয়নের প্যাদারহাট ওয়াহেদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে মুলাদী-মীরগঞ্জ সড়কে মানববন্ধন করেন শিক্ষক-শিক্ষিকা ও অভিভাবক বৃন্দ। 

মানব বন্ধনে বক্তারা ৯৩নং পশ্চিম কমিশনারচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা মিনারা আক্তার লিপির কর্তৃক সিনিয়র শিক্ষিকা খুরশিদা আক্তারের উপর বর্বরোচিত আক্রমনের প্রতিবাদ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবী জানান। মানব বন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, শিক্ষক নেতা এস এম কামাল পাশা, প্রধান শিক্ষক নুরুজ্জামান আনসারী, শহিদুল ইসলাম, কামরুজ্জামান, নাজনিন নাহার, রেজাউল মাওলানা, সহকারী শিক্ষক গিয়াস উদ্দিন, মোঃ মিলন, শফিকউজ্জামান, অলিউর রহমান, জাকিয়া সুলতানা, তহমিনা, সুরাইয়া, হিরামনি, কাওসার উািদ্দন, রাবেয়া হক, মনির হোসেন, কবির হোসেন ও আবু বকর সহ বিশটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও অভিভাবক বৃন্দ। উল্লেখ্য অভিযুক্ত শিক্ষিকা মিনারা আক্তার লিপিকে সাময়ীক বরখাস্ত করেছেন কর্তৃপক্ষ। অভিযোগ উঠেছে, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তাদের অবহেলা এবং অভিযোগ পুজি করে উৎকোচের নেয়ার ফলে কোন ঘটনার সুষ্ঠ সমাধান না হওয়ায় এ ধরনের ঘটনা একাধীক পুনরাবৃত্তি হচ্ছে।



ভিডিও


মুলাদী প্রতিনিধিঃ
মুলাদীতে এক নারী সহ দুই ইয়াবা ব্যাবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মুলাদী থানা সূত্রে জানা গেছে গতকাল ভোর ৪টায় ৩৬ ভেদুরিয়া লঞ্চ ঘাট থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিত্তে পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ফয়েজ আহম্মেদ এর নেতৃত্বে উপজেলার সফিপুর ইউনিয়নের ব্রজমোহন গ্রামের আলমগীর সরদারের পুত্র রাহাদ সরদার ও ছোট লক্ষীপুর গ্রামের জাকির আকনের স্ত্রী আছমা বেগমের নিকট থেকে ১,০০০ হাজার পিচ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। জানা যায় তারা দীর্ঘদিন যাবৎ ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত । আজ ঢাকা থেকে মীরগঞ্জগামী এম.ভি হাসান হোসেন-২ লঞ্চে বিপুল পরিমান ইয়াবা চালান হচ্ছে খবর পেয়ে মুলাদী থানা পুলিশ আগে থেকেই লঞ্চ ঘাটে অপেক্ষা করতে থাকে ভোর ৪ টায় লঞ্চটি ঘাটে পৌছালে সন্দেহ ভাজন মাদক ব্যবসায়ীকে তল্লাশী করলে আছমা বেগমের নিকট থেকে ১,০০০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। সর্ব শেষ খবর অণুযায়ী মাদক আইনে তাদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে  কোর্টে প্রেরনের  প্রস্তুুতি চলছে বলে জানান পুলিশ পরিদর্শ (তদন্ত) ফয়েজ আহম্মেদ।

MARI themes

Powered by Blogger.