ডিজিএম রেজায়েত আলীর চরম অনিয়ম-দুর্নীতির স্বীকার॥ মুলাদীতে পল্লী বিদ্যুৎ এর ৭০ হাজার গ্রাহক!

ডিজিএম রেজায়েত আলীর চরম অনিয়ম-দুর্নীতির স্বীকার॥
মুলাদীতে পল্লী বিদ্যুৎ এর ৭০ হাজার গ্রাহক!

মুলাদী প্রতিনিধিঃ
বরিশাল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ মুলাদী পল্লী বিদ্যুৎ এর ৭০ হাজার গ্রাহককে জিম্মি করে চরম অনিয়ম- দুর্নীতি ও অপকৃত্তির মাধ্যমে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসকে মানুষ হয়রানির এক অদ্ভুদ কারখানা বানিয়ে ফেলেছেন পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম রেজায়েত আলী। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, হিজলা- মুলাদী ও মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার একটি অংশ নিয়ে বরিশাল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর অধীনে ৭০ হাজারের ও বেশী গ্রাহক মুলাদী জোনের ডিজিএম রেজায়েত আলীর কাজে জিম্মি হয়ে পরেছে। গ্রাহক হয়রানি থেকে শুরু করে, পল্লী বিদ্যুৎ এর সব সেক্টরে দুর্নীতি আর অনিয়মের মাধ্যমে গ্রাহকদের সাথে অসৈজন্যমূলক আচারন, কোন কোন ক্ষেত্রে গ্রাহককে দেখে নেয়ার হুমকি সহ তার অফিসে কর্মরত নারী সহ কর্মীদের হয়রানির অভিযোগ রয়েছে বিদ্যুৎ এ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। অফিসের নারী সহ কর্মীরা অভিযোগ করেছেন অফিস ছুটির পর ও বিভিন্ন কাজের অজুহাত দেখিয়ে তার রুমে ডেকে নেয়া হয়। এ বিষয় তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় বিদ্যুৎ মন্ত্রনালায় সর্বচ্চ পর্যায়ে অভিযোগ দেয়া হয়েছে। অভিযোগ আমলে নিয়ে কর্তৃপক্ষ বিদ্যুৎ উপসচিব আশ্রাফুদৌলা গত ১৩ মে ২০১৯ ইং সোমবার ঘটনা তদন্তে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে এসেছিলেন। মুলাদী পল্লী বিদ্যুৎ এর রেজায়েত আলী অনৈতিক ভাবে মুলাদী উপজেলার চরকালেখান ইউনিয়নের নোয়াব আলী ঢালীর পুত্র গ্রাহক খলিলুর রহমান যার হিসাব নম্বর ৭২৪-৬০৫৬, বিল পরিশোধের শেষ তারিখ ছিলো ১৬ মে ২০১৯ ইং কিন্তু রেজায়েত আলীর খামখেয়ালীপনায় গ্রাহক খলিলুর রহমানের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয় ১৩ মে ২০১৯ তারিখে। বিদ্যুৎ গ্রাহক খলিলুর রহমান, বিশিষ্ট সমাজসেবক ব্যবসায়ী মনিরুজ্জামান খান মিঠুকে বিষয়টি জানান । মনিরুজ্জামান খান মিঠু পল্লী বিদ্যুৎ বিভাগের গ্রাহক হয়রানির বিষয়টি জানতে চাইলে ডিজিএম রেজায়েত আলী তার সাথে দুরব্যবহার করেন এবং তার সাথে থানার বড় কর্মকর্তার সক্ষতা আছে জানিয়ে তার বিরুদ্ধে মামলার হুমকি দেয়া হয় বলে অভিযোগ করেছেন মনিরুজ্জামান খান মিঠু। এ ব্যাপারে ডিজিএম রেজায়েত আলীর কাছে জানতে চাইলে তাকে অফিস কক্ষে পাওয়া যায় নি।