মুলাদী প্রতিনিধিঃ 
মুলাদীতে রাতের আধারে পেট্রোল দিয়ে ৩টি ঘরে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে প্রতিপক্ষের আগুন সন্ত্রাসীরা! জানা গেছে, গত সোমবার দিবাগত গভীর রাতে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মুলাদী উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের সাহেবের চর গ্রামের মৃত এছাহাক সরদারের পুত্র জসিম সরদার, কুট্টি মিয়া বেপারীর পুত্র সিরাজুল হক বেপারী ও একই বাড়ীর হযরত আলীর বিধাবা স্ত্রী হাজেরা বেগম এর ঘরে জমি সংক্রান্ত পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এ আগুন দেয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন ঘটনার নির্মম স্বীকার পরিবারগুলো ও স্থানীয়রা। আগুন দেয়ার বিষয়টি টের পেয়ে জসিম সিকদার দিলে আসপাশের লোকজন আগুন নিয়ন্ত্রনের চেষ্টা করে তবে ততক্ষনে ঔ ৩ পরিবারের সকল ধরনের আসবাব পত্র, জমির দলিল, নগদ ২ লক্ষ টাকা সহ তিনিটি ঘরের প্রায় ১০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে তাৎক্ষনিক ধারনা পাওয়া গেছে। জসিম সিকদার সহ ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সদস্যরা এলাকার চিহ্নিত এসব সন্ত্রাসীদের বিচারের দাবিতে মুলাদী থানায় মামলা দায়ের এর প্রস্তুতি নিচ্ছে। 

ডিজিএম রেজায়েত আলীর চরম অনিয়ম-দুর্নীতির স্বীকার॥
মুলাদীতে পল্লী বিদ্যুৎ এর ৭০ হাজার গ্রাহক!

মুলাদী প্রতিনিধিঃ
বরিশাল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ মুলাদী পল্লী বিদ্যুৎ এর ৭০ হাজার গ্রাহককে জিম্মি করে চরম অনিয়ম- দুর্নীতি ও অপকৃত্তির মাধ্যমে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসকে মানুষ হয়রানির এক অদ্ভুদ কারখানা বানিয়ে ফেলেছেন পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম রেজায়েত আলী। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, হিজলা- মুলাদী ও মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার একটি অংশ নিয়ে বরিশাল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর অধীনে ৭০ হাজারের ও বেশী গ্রাহক মুলাদী জোনের ডিজিএম রেজায়েত আলীর কাজে জিম্মি হয়ে পরেছে। গ্রাহক হয়রানি থেকে শুরু করে, পল্লী বিদ্যুৎ এর সব সেক্টরে দুর্নীতি আর অনিয়মের মাধ্যমে গ্রাহকদের সাথে অসৈজন্যমূলক আচারন, কোন কোন ক্ষেত্রে গ্রাহককে দেখে নেয়ার হুমকি সহ তার অফিসে কর্মরত নারী সহ কর্মীদের হয়রানির অভিযোগ রয়েছে বিদ্যুৎ এ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। অফিসের নারী সহ কর্মীরা অভিযোগ করেছেন অফিস ছুটির পর ও বিভিন্ন কাজের অজুহাত দেখিয়ে তার রুমে ডেকে নেয়া হয়। এ বিষয় তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় বিদ্যুৎ মন্ত্রনালায় সর্বচ্চ পর্যায়ে অভিযোগ দেয়া হয়েছে। অভিযোগ আমলে নিয়ে কর্তৃপক্ষ বিদ্যুৎ উপসচিব আশ্রাফুদৌলা গত ১৩ মে ২০১৯ ইং সোমবার ঘটনা তদন্তে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে এসেছিলেন। মুলাদী পল্লী বিদ্যুৎ এর রেজায়েত আলী অনৈতিক ভাবে মুলাদী উপজেলার চরকালেখান ইউনিয়নের নোয়াব আলী ঢালীর পুত্র গ্রাহক খলিলুর রহমান যার হিসাব নম্বর ৭২৪-৬০৫৬, বিল পরিশোধের শেষ তারিখ ছিলো ১৬ মে ২০১৯ ইং কিন্তু রেজায়েত আলীর খামখেয়ালীপনায় গ্রাহক খলিলুর রহমানের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয় ১৩ মে ২০১৯ তারিখে। বিদ্যুৎ গ্রাহক খলিলুর রহমান, বিশিষ্ট সমাজসেবক ব্যবসায়ী মনিরুজ্জামান খান মিঠুকে বিষয়টি জানান । মনিরুজ্জামান খান মিঠু পল্লী বিদ্যুৎ বিভাগের গ্রাহক হয়রানির বিষয়টি জানতে চাইলে ডিজিএম রেজায়েত আলী তার সাথে দুরব্যবহার করেন এবং তার সাথে থানার বড় কর্মকর্তার সক্ষতা আছে জানিয়ে তার বিরুদ্ধে মামলার হুমকি দেয়া হয় বলে অভিযোগ করেছেন মনিরুজ্জামান খান মিঠু। এ ব্যাপারে ডিজিএম রেজায়েত আলীর কাছে জানতে চাইলে তাকে অফিস কক্ষে পাওয়া যায় নি।


মুলাদী প্রতিনিধিঃ
মুলাদীতে এক মাছ ব্যবসায়ীর নদীতে ডুবে মৃত্যু হয়েছে।জানা গেছে, মুলাদী উপজেলার চরকালেখান ইউিিনয়নের চরমালিয়া গ্রামের হামেদ আলী চৌকিদারের পুত্র নান্নু চৌকিদার জয়ন্তী নদী থেকে মাছ সংগ্রহ করে ঢাকায় সরবারহের ব্যবসা করতেন। গতকাল সোমবার সকাাল ৯টার দিকে নান্নু চৌকিদার (৪০) জয়ন্তী নদীতে জেলেেেদর কাছ থেকে মাছ কিনতে গেলে তখনই তিনি নদীতে পরে তলিয়ে যান। এখন ও পর্যন্ত নান্নু চৌকিদারের কোন খোজ মেলেনি।


মুলাদী প্রতিনিধিঃ
মুলাদীতে এসএসসি পরিক্ষায় পাশ করতে না পেরে আত্মহত্যা করেছে এক স্কুল ছাত্রী! জানা গেছে, গতকাল সোমবার ৬মে এসএসসি পরিক্ষার ফল প্রকাশিত হলে তাতে অকৃতকার্য হয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে মুলাদী উপজেলার সফিপুর ইউনিয়নের উত্তর বালিয়াতলী গ্রাামের মন্টু বেপারীর কন্যা হ্যাপি আক্তার। সফিপুর ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী হ্যাপি আক্তার ২০১৮ সালে এসএসসি পরিক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছিল এর পর ২০১৯ উপজেলার সালে এসএসসি পরিক্ষায় অংশ নিয়ে তাতেও পাশ করতে না পারায় গতকাল ঘরের ২টার দিকে মা হারা হ্যাপি আক্তার ঘরের খুটির সাথে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে।


মুলাদী প্রতিনিধিঃ বরিশালের মুলাদীতে উপজেলায় বিদ্যুৎ চলে গেলেই লাপাত্তা হয়ে যায় বহুল ব্যব‎হ্নত মোবাইল কোম্পানির নেটওর্য়াক। আবার বিদ্যুৎ আসলেও এমার্জেন্সি কল উঠে নেট ওর্য়াক বন্ধ থাকে। আর এতে ভোগান্তিতে পড়েছে মুঠোফোনে মোবাইল সিম ব্যবহার কারি মুলাদী উপজেলার কয়েক লাখ গ্রাহক। এখানকার বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় কিছুটা বিভ্রাট দেখা দিলে মোবইল সিম ব্যবহারকারি গ্রাহকরা পড়েন মহা বিপাকে। গ্রাহকরা তাদের সাথে  থাকা দুরের কোন আত্বিয় স্বজনরা ঠিকভাবে যোগাযোগ করতে পারেন না । জানা গেছে মুলাদী উপজেলা, গাছুয়া, চরকালেখান এমন প্রত্যান্ত এলাকায়  মোবাইল ফোনের নেটের অচল অবস্থা কয়েক বছর পর্যন্ত। যার কারনে সিম ব্যবহারকারি গ্রাহকরা এতে মহা বিপাকে রয়েছেন মোবাইল সিম ব্যবহারকারীরা  বিভিন্ন পেশার মানুষ। অনেকেই অভিযোগ করে বলেন কেউ দীর্ঘদিন পর্যন্ত মোবাইল সিম ব্যবহার করে আসছেন,অফিস আদালত থেকে শুরু করে তাদের প্রবাসে থাকা আত্বিয় স্বজনরা বিভিন্নরকম ভোগান্তির স্বীকার হতে হচ্ছে।  এ অবস্থায় মোবাইল ফোন কোম্পানির কর্তৃপক্ষের কাছে তারা নেট ওর্য়াক বিভ্রাট যাতে ঠিক হয় তার ব্যবস্থা করার দাবী তুলেছেন। 

সংগ্রহকৃত ছবি
মুলাদী প্রতিনিধিঃ
ঘূর্নিঝড় ফনি বাংলাদেশের উপকূলিয় অঞ্চল সহ সর্বত্র আঘাত হানতে পারে আবহাওয়া বিদিদরে এমন খবরের প্রেক্ষিতে মুলাদীতে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক জরুরী সভার তলব করেছে উপজেলা প্রসাশন। গতকাল সকাল ১০টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকির হোসেন এর কার্যালয় এ জরুরী সভায় দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও এর ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পেতে সর্বচ্চ সতর্ক থাকার পরামর্শ দেয়া হয়। দূর্যোগ বিষয়ে মুলাদী উপজেলা সকল চেয়ারম্যান, কর্মকর্তা,কর্মচারী,শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, সংবাদিক, ফায়ার সার্ভিস, মুলাদী থানা প্রসাশন, আনসার ভিডিপি, মুলাদী উপজেলা স্কাউট ও সেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো,প্রত্যেক এলাকায় মাইকিং ও মসজিদ থেকে মাইকিং করে  ব্যাপক ভাবে সতর্কবানী পৌছে দেয়ার নির্দেশ দেন এবং সকল মসজিদের মুসল্লিদের আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করার অনুরোধ জানানো হয় সভায়। 


মুলাদী প্রতিনিধি
মুলাদীতে দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর ধর্ষন মামলার দুধর্শ আসামী কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত শুক্রবার রাত ৮টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গণধর্ষন মামলার অন্যতম আসামী মোঃ ইব্রাহিমকে (৩৮) কে গ্রেপ্তার করেছে মুলাদী থানা পুলিশের তদন্ত ওসি সাইদ আহম্মেদ তালুকদার সহ একদল পুলিশ। জানা গেছে, গত ১৮/০৩/২০১৯ ইং তারিখে মুলাদী উপজেলার বাটামারা ইউনিয়নের চিঠিরচর গ্রামের নাসির বেপারীর ভবঘুরে মেয়ে মৌসুমী আক্তার সম্পা মনিকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সফিপুর ইউনিয়নের মোসলেম সিকদারের পুত্র সিয়াম সিকদার ও আয়নাল সরদারের পুত্র ইব্রাহীম ও তার সহযোগীরা সফিপুরের টেম্পু ষ্টান্ডের পূর্ব পাশের্^ পাতা বনের ভেতর নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষন করে। ঘটনার পর ১৯/০৩/২০১৯ ইং তারিখ ভিকটিম মৌসুমী আক্তার সম্পা মনি বাদি হয়ে সিয়াম সিকদার ও ইব্রাহীম সহ আরো অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামী করে  স্থানীয় সচেতন সোহেল সরদার কে সাথে নিয়ে মুলাদী থানায় ধর্ষনকারীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। 


মুলাদী প্রতিনিধি
মুলাদী বন্দরের পয়ঃনিষ্কাশন, বর্জ্যরে ভাগার, গরু জবাই করে রক্ত প্রবাহ নয়াভাঙ্গলী নদীর তীরে ড্রেনের মাধ্যমে নদীতে যাওয়ার ফলে নয়া ভাঙ্গলীর তীরে ঐতিহ্যবাহী বন্দর জামে মসজিদের মুসল্লীগন, মুলাদী থেকে ঢাকাগামী লঞ্চ চলাচলের যাত্রীদের নাকাল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন মুলাদী বন্দরের সব ধরনের বর্জ্য মসজিদ সংলগ্ন নদী তীরবর্তী জায়গায় ফেলার কারনে পরিবেশ বিপর্যয়ের আশংকা দিয়েছে। বন্দরের অসাধু গরুর ব্যবসায়ীরা গরু জবাই করার জন্য পৌর কর্তৃপক্ষের দেয়া সুনিদৃষ্ট জায়গা দেওয়া সত্বেও জনসম্মুখ্যে প্রতিনিয়ত গরু জবাই করার ফলে গরুর পচা রক্ত মানব দেহের ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে চলেছে অপর দিকে কিছু মানুষের অসচেনতা আর পৌর কর্তৃপক্ষের অবহেলায় নয়া ভাঙ্গলী পয়ঃনিষ্কাসন সুয়ারেজ ড্রেন নদীর সাথে মিলিয়ে দেয়ার ফলে পরিবেশ বিনষ্ট হচ্ছে। সচেতন মহল মনে করে পরিবেশের এই ধংসের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য স্থানীয় প্রশাসন, পৌর কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিলে অনিবার্য বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা পেয়ে জনসাধারন বিভিন্ন সংক্রামক রোগের থেকে রক্ষা পারে। 


মুলাদী প্রতিনিধি
মুলাদীতে প্রথম শ্রেনীর শিশু শিক্ষার্থী ধর্ষনের শিকার হয়েছে! মামলা সুত্রে জানা গেছে, গত ১৮ এপ্রিল মুলাদী পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের মধ্যে তেরচর গ্রামের মৃত করম আলী চৌকিদারের লম্পট পুত্র আল আমিন তার নিকট আত্নীয়র প্রথম শ্রেণীতে পড়–য়া (৭) মেয়েকে কোমল পানিয় খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে আল আমিনের মেয়েকে আরসি আনতে দোকানে পাঠায় সেই সুযোগে ধর্ষন করে আলআমিন । ধর্ষনের স্বীকার হওয়া প্রথম শ্রেণীর শিশু শিক্ষার্থী তেরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী। ধর্ষনের স্বীকার হওয়া শিশু শিক্ষার্থীর ডাক চিৎকার শুনতে পেয়ে তার বড় বোন ঘটনাস্থলে এসে আলআমিনকে পালিয়ে যেতে দেখলে তার ডাকচিৎকারে প্রতিবেশীরা জরো হয়। এ ঘটনায় এলাকায় হৈচৈ পরে গেলে শিশু শিক্ষার্থীর মা এনামুল সরদারের স্ত্রী ববিতা বেগম মুলাদী থানায় আলআমিন কে আসামী করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করে। এ ঘটনায় ধর্ষক আলআমিন কে গ্রেপ্তার করেছে মুলাদী থানা পুলিশ। 


(মুলাদী প্রতিনিধি)
মুলাদীতে ইটালী প্রবাসী আলমগীর সিকদারের বাড়ীতে আগুন দিয়ে গরু ঘর ও পাকের ঘরে আগুন দিয়ে গরু ও রান্না ঘর পুড়িয়ে এ কেমন নিষ্ঠুরতা করলো ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা মফসের ও তার সহযোগীরা! জানাগেছে, মুলাদী উপজেলার সফিপুর ইউনিয়নের ব্রজমোহন এলাকার মৃত ইসমাইল সিকদারের ইটালী প্রবাসী পুত্র আলমগীর সিকদার একই এলাকার মুক্তিযোদ্ধা নামধারী মফসের সরদারকে মুক্তিযোদ্ধায় তালিকা ভুক্তির জন্য সাক্ষি না দেয়ার ফলে শত্রুতার সৃষ্টি হয় এর জের ধরে শনিবার গভীর রাতে মফসের সরদার ও তার সন্ত্রাসী সহযোগীরা ইটালী প্রবাসী আলমগীর সিকদারের বাড়ীতে থাকা গরু ঘর, ক্ষেরের গাধায় আগুন লাগিয়ে দেয়, রাত আনুমানিক ৩.৩০ মিনিটে শবেই বরাতের রোজা রাখার নিয়তে ঘর থেকে বাহিরে বের হয়ে আগুন লাগার সেই দৃশ্য দেখে ডাক চিৎকার দিলে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। ততক্ষনে আগুনের সেই নিষ্ঠুরতায় ক্ষেরের গাধা সহ গরু ঘরে থাকা গরুটি পুরে যায়। আলমগীর এর বৃদ্ধা মা রিজিয়া বেগম (৭৫) ও প্রতিবেশী এক মহিলা মফসের সরদার সহ তার লোকজনদের পালিয়ে যাওয়া দেখে অভিযোগ জানিয়েছেন। মুক্তিযোদ্ধার মতে একটি গুরুত্বপূর্ন ইসুকে পুঁজি করে স্থানীয় লোকজনদের জিম্মি করে বিভিন্ন উদ্দেশ্য হাসিল করে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আধিপত্ব বিস্তার করে আসছে মফসের ও তার এই সন্ত্রসী গ্রুপটি বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এ ঘটনায় সেলিমপুরের পুলিশ ফারির ইনচার্জ আলতাফ হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ ব্যাপারে আলমগীর সিকদারের স্ত্রী কনা বেগম, মফসের সরদার, সেন্টু সরদার, হান্নান সরদার আলাউদ্দিন সরদার, ইলিয়াস সরদার, শাওন সরদার, সীমা বেগম, আশিক সহ ৭/৮ জনকে আসামী করে থানায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

MARI themes

Powered by Blogger.